উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
হাফসা খাতুন, প্রকাশক ও সসম্পাদক ||
ইরানের বিরুদ্ধে চরম কঠোর প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানান, হরমুজ প্রণালিতে প্রতিটি হামলার বিপরীতে একটি করে ইরানি সেতু বা বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। এছাড়া রাশিয়া বা চীন ইরানকে সাহায্য করলে তার পরিণতি খুব খারাপ হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন। তবে ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন যে, আন্তর্জাতিক এই সমুদ্রপথের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার কোনো ইচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নেই। এদিকে ফিলিপাইনে আয়োজিত আসিয়ান সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ইরানের সমালোচনা করে তাদের চুক্তি মানা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। এর পাশাপাশি লোহিত সাগরে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ায় যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও সৌদি আরবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। সিআইএ-এর বিভিন্ন স্থাপনায় ইরানি ড্রোন হামলার পেছনে রাশিয়ার সম্ভাব্য ভূমিকাও খতিয়ে দেখছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। বাণিজ্যিক ও সামরিক ক্ষেত্রেও নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ওয়াশিংটন। বাংলাদেশসহ প্রায় ৬০টি প্রধান বাণিজ্য অংশীদার দেশের আমদানিকৃত পণ্যের ওপর ১০ থেকে ১২.৫ শতাংশ পর্যন্ত নতুন শুল্ক আরোপ করছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে দলীয় অবস্থানের ভিত্তিতে ২১৬-২১২ ভোটে ১.১৫ ট্রিলিয়ন ডলারের বিশাল প্রতিরক্ষা বিল পাস হয়েছে। অন্যান্য আন্তর্জাতিক খবরের মধ্যে, এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান কর্মসূচিতে ফিরে আসার জন্য প্রয়োজনীয় আইনি শর্ত তুরস্ক এখনো পূরণ করতে পারেনি বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। এছাড়া সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বেসামরিক পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে ইসরাইল। ইসরাইল ইস্যুতে মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হলে দেশটি স্পষ্ট জানায়, ইসরাইল বা জায়নবাদী শাসনকে স্বীকৃতি না দেওয়া তাদের দীর্ঘদিনের অনুসৃত নীতি।