উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
হাফসা খাতুন, প্রকাশক ও সসম্পাদক ||
২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের হাইভোল্টেজ ম্যাচে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার লড়াইয়ে ভিএআরের দুটি সিদ্ধান্ত নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, সিদ্ধান্ত দুটি প্রচলিত নিয়মের সঙ্গেই সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। ক্রীড়াভিত্তিক গণমাধ্যম ইএসপিএন-এর বিশ্লেষণেও বলা হয়েছে, দুই ক্ষেত্রেই ভিএআর মাঠের রেফারির সিদ্ধান্ত বহাল রেখে সঠিক মূল্যায়ন করেছে। ম্যাচের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত ছিল ৯৩তম মিনিটে আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজের লাল কার্ড পেয়ে মাঠ ছাড়া। রেফারির সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের কারণে প্রথম হলুদ কার্ড দেখার পর স্পেনের ডিফেন্ডার পাও কুবার্সির ওপর ঝুঁকিপূর্ণ ট্যাকল করায় তাকে দ্বিতীয় সতর্কবার্তা দেন রেফারি। ভিএআর পর্যালোচনার পরও সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করার মতো কোনো কারণ পাওয়া যায়নি। এর মাধ্যমে ২০১০ সালের পর প্রথম ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালে লাল কার্ড দেখলেন এনজো, যা এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসে ষষ্ঠ ঘটনা। অন্যদিকে, অতিরিক্ত সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে স্পেনের নিকো উইলিয়ামস বল জালে পাঠালেও গোলটি বাতিল হয়। আক্রমণ তৈরির সময় স্পেনের মিকেল মেরিনো আর্জেন্টিনার নিকোলাস ওতামেন্দির পায়ে আঘাত করায় ফাউলের সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। পরে ভিএআর রিপ্লে দেখে মাঠের সিদ্ধান্তই বহাল রাখা হয়। যদিও ওতামেন্দির প্রতিক্রিয়া কিছুটা অতিরঞ্জিত বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন, তবে ভিএআর প্রোটোকল অনুযায়ী মাঠের সিদ্ধান্ত স্পষ্ট ভুল না হলে তা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। শেষ পর্যন্ত স্পেন ১–০ ব্যবধানে জয় পাওয়ায় এবং নিয়মের দৃষ্টিকোণ থেকে এনজোর লাল কার্ড ও বাতিল হওয়া গোল দুটোই সঠিক সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।