উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
হাফসা খাতুন, প্রকাশক ও সসম্পাদক ||
বিগত সরকারের ১৭ বছরের শাসনামলে দেশের আর্থিক খাতে অর্থ পাচার এবং সাইবার হ্যাকিংয়ের একটি ভয়াবহ সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মতো ঘটনা দেশের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ডকে দুর্বল করে দিয়েছে। এই ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করা এবং সাইবার চুরির ঝুঁকি মোকাবিলা করে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনাই এখন নতুন সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের প্রযুক্তিগত বিপর্যয় থেকে উত্তরণের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং সেন্ট্রাল ব্যাংক ডিজিটাল মুদ্রা (সিবিডিসি) কেন্দ্রিক আধুনিক আর্থিক ব্যবস্থাপনা পুনর্গঠন করা জরুরি। সিবিডিসি হলো একটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্বারা সরাসরি নিয়ন্ত্রিত ফিয়াট মুদ্রার ডিজিটাল সংস্করণ, যা লেনদেন ব্যবস্থাকে আরও দ্রুত, দক্ষ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে পারে। বাংলাদেশের বর্তমান ব্যাংকিং আইটি আর্কিটেকচারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত রিয়েল-টাইম থ্রেট ডিটেকশন ব্যবস্থা না থাকায় তা সাইবার আক্রমণ প্রতিহত করতে সক্ষম নয়। ফলে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার আইটি সিস্টেম প্রায়ই অকার্যকর হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি বিদ্যমান কেন্দ্রীভূত ব্যাংকিং ব্যবস্থার চড়া ফি ও মধ্যস্থতাকারীদের অদক্ষতা অর্থ পাচারের পথ তৈরি করছে। এই ঝুঁকিগুলো মোকাবিলায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অ্যানোমালি ডিটেকশন, অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং অটোমেশন, প্রেডিক্টিভ সাইবার সিকিউরিটি মনিটরিং এবং স্মার্ট কেওয়াইসির মাধ্যমে অপরাধ শনাক্ত করতে পারে। এছাড়া সুইফট সিস্টেমের বিকল্প হিসেবে ব্লকচেইনভিত্তিক ব্রিকস পেমেন্ট সিস্টেমের মতো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেও আন্তর্জাতিক লেনদেনের নতুন সুযোগ তৈরি করা সম্ভব।