উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
হাফসা খাতুন, প্রকাশক ও সসম্পাদক ||
মেয়াদের আগেই রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দিয়েছেন মো. সাহাবুদ্দিন। তাঁর পদত্যাগের পরপরই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাঁকে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে তাঁকে বিচারের আওতায় আনা যাবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা আলোচনা। সংবিধানের ৫১ (১) ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কার্যভার পালনকালে কোনো কাজের জন্য আদালতে জবাবদিহি করতে বাধ্য নন। এছাড়া ৫১ (২) ধারা অনুযায়ী তাঁর কার্যকালীন সময়ে কোনো ফৌজদারি কার্যধারা দায়ের বা তাঁকে গ্রেপ্তার করা যাবে না। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সুরক্ষা কেবল রাষ্ট্রপতি পদে থাকাকালীন সময়ের জন্যই প্রযোজ্য। পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে মো. সাহাবুদ্দিন অন্তর্বর্তী সরকার গঠন এবং সেই সময়ের সংকটে তাঁর পদক্ষেপের ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পরামর্শক্রমে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করেছিলেন। সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর জাতীয় নাগরিক পার্টি ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ বিভিন্ন দল তাঁকে অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় তাঁর ভূমিকার নির্ভরযোগ্য আলামত পেলে তারা পদক্ষেপ নেবেন। আইনজ্ঞদের মতে, অতীতের কর্মকাণ্ডের জন্য সাহাবুদ্দিনকে বিচারের আওতায় আনা সম্ভব হলেও সবকিছু নির্ভর করছে সরকারের ওপর। এ বিষয়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান শনিবার সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করার সময় এখনো আসেনি।