উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
হাফসা খাতুন, প্রকাশক ও সসম্পাদক ||
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যে দেখা দিয়েছে নতুন সংশয়। জোটের কর্মসূচি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন। একই সময়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের উদ্যোগে কওমি ধারার সাতটি দলকে নিয়ে নতুন ঐক্যের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আসন সমঝোতা এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াতের একক অংশগ্রহণের গুঞ্জনে খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। জোটে অন্যান্য দলকে উপযুক্ত মূল্যায়ন না করার অভিযোগ তুলে দল দুটি আলাদাভাবে কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে এখনই ১১-দলীয় ঐক্য আনুষ্ঠানিকভাবে ভেঙে যাচ্ছে না বলে দাবি করছে জামায়াতসহ সংশ্লিষ্ট দলগুলো। গত ১৬ জুলাই চট্টগ্রামে হেফাজতের আমিরের সভাপতিত্বে সাতটি ইসলামি দলের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। কওমি ধারার দলগুলোর পারস্পরিক বিভেদ কমিয়ে ভবিষ্যতে একসঙ্গে পথচলার বিষয়ে আগামী ৩ আগস্টের মধ্যে লিখিত প্রস্তাব চাওয়া হয়েছে। তবে হেফাজত ও সংশ্লিষ্ট দলগুলোর নেতারা জানান, এটি মূলত ধর্মীয় বিষয়ে এক থাকার উদ্যোগ, সরাসরি কোনো রাজনৈতিক জোট নয়। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও জোটের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ দাবি করেছেন, দল দুটি এখনও জোটে রয়েছে। কওমি ধারার সাত দলকে নিয়ে হেফাজতের এই উদ্যোগের পেছনে সরকারের ইন্ধন রয়েছে বলেও তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন। সব মিলিয়ে ১১-দলীয় ঐক্যের ভবিষ্যৎ ও ইসলামি দলগুলোর এই উদ্যোগ কোনো নতুন রাজনৈতিক রূপ নেয় কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।