উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মোসা হাবিবা আক্তার , নিজস্ব প্রতিনিধ ||
অনলাইন ডেস্ক: ভালোবাসা ও ঘনিষ্ঠতার প্রকাশে চুম্বন একটি পরিচিত মাধ্যম। তবে চুম্বনেরও রয়েছে নানা ধরন ও ভিন্ন ভিন্ন অভিব্যক্তি। কপাল, গাল কিংবা হাতে চুম্বন যেমন স্নেহ, ভালোবাসা ও সম্মানের প্রতীক হতে পারে, তেমনি ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে ঠোঁটে চুম্বনেরও রয়েছে বিভিন্ন ধরন।ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার অনলাইন-এর একটি প্রতিবেদনে চুম্বনের বিভিন্ন ধরন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। সেখানে ফ্রেঞ্চ কিস, সিঙ্গল লিপ কিস, লিঙ্গারিং কিস, এস্কিমো কিস, বাটারফ্লাই কিসসহ বিভিন্ন ধরনের চুম্বনের কথা উল্লেখ করা হয়।ফ্রেঞ্চ কিসে জিহ্বার ভূমিকাআনন্দবাজারের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রেঞ্চ কিসের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এতে দুজনের জিহ্বার সংস্পর্শ ঘটে। সাধারণ ঠোঁটে চুম্বনের তুলনায় এটি তুলনামূলকভাবে বেশি ঘনিষ্ঠ ও আবেগপূর্ণ বলে বর্ণনা করা হয়েছে।তবে বাস্তবে যেকোনো ধরনের ঘনিষ্ঠতার ক্ষেত্রেই দুজনের স্পষ্ট সম্মতি, স্বাচ্ছন্দ্য ও ব্যক্তিগত সীমারেখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। একজনের অনিচ্ছা থাকলে কোনো ধরনের ঘনিষ্ঠ আচরণই করা উচিত নয়।সব চুম্বনের অর্থ এক নয়প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, কপালে চুম্বন সাধারণত স্নেহ বা ভালোবাসার প্রকাশ হিসেবে বিবেচিত হয়। আবার এস্কিমো কিসে নাকের সঙ্গে নাক ঘষার মাধ্যমে স্নেহ প্রকাশ করা হয়। লিঙ্গারিং কিসে জিহ্বার ব্যবহার ছাড়াই কিছুক্ষণ ঠোঁট স্পর্শ করে রাখা হয়।এ ছাড়া হাতে চুম্বনকে ঐতিহ্যগতভাবে সম্মান ও সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবেও দেখা হয়। অন্যদিকে কানের লতিতে চুম্বন বা ‘ইয়ারলোব কিসিং’ ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত একটি আচরণ হিসেবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণঘনিষ্ঠ চুম্বনের ক্ষেত্রে শুধু আবেগ নয়, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। মুখের মাধ্যমে কিছু সংক্রমণ ছড়াতে পারে। তাই অসুস্থতা, মুখে ঘা বা সংক্রমণের লক্ষণ থাকলে ঘনিষ্ঠ চুম্বন এড়িয়ে চলা এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।সবশেষে, চুম্বনের ধরন যাই হোক না কেন—সম্পর্কের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সম্মতি, বিশ্বাস ও শ্রদ্ধাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন— “চুমুতেই চমৎকার! সুস্বাস্থ্যের দাওয়াই চুম্বনের এই ধরনগুলি জানা...” এবং “কিস ডে’র আগে জেনে নিন চুমু কত ধরনের হয়ে থাকে”।