উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
খালিদ, ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি ||
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় নৌযান শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন থেকে ১২ জন তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ দেওয়া হলেও এ জন্য কোনো আবেদন গ্রহণ বা পরীক্ষা নেওয়া হয়নি। অথচ জেলার অন্যান্য উপজেলায় আবেদন ও পরীক্ষার মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।গত ১৫ আগস্ট ভাঙ্গুড়ায় নৌযান শুমারির প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। এর আগেই তথ্য সংগ্রহকারীদের নিয়োগ দেওয়া হয়। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ১২ জনকে তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসে কর্মরত আরও চারজনকে এ কাজে সম্পৃক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।অভিযোগকারীদের দাবি, কোনো ধরনের আবেদন আহ্বান, যাচাই-বাছাই বা পরীক্ষা ছাড়াই ইউনিয়নভিত্তিক লোক নেওয়া হয়েছে। এতে পছন্দের ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের। ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।এমন অভিযোগের মধ্যেই গত ২০ আগস্ট থেকে ভাঙ্গুড়ায় নৌযান শুমারি শুরু হয়েছে। শুমারি চলবে আগামী ২৯ আগস্ট পর্যন্ত।এদিকে, মন্ডুতোষ ইউনিয়ন থেকে নৌযান শুমারির জন্য লোক নেওয়ার বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও মন্ডুতোষ ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো. ফেরদৌস আলম। তিনি বলেন, তাঁর ইউনিয়ন থেকে নৌযান শুমারিতে লোক নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তিনি অবগত নন।অন্যদিকে, উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসের কর্মকর্তা শাওনের কাছে আবেদন ও পরীক্ষা ছাড়া তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিভিন্ন উপজেলায় আবেদন ও পরীক্ষা নেওয়া হলেও ভাঙ্গুড়ায় নিয়োগের দায়িত্ব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ওপর ছিল। ইউএনও তাঁর মতো করে লোক নিয়োগ দিয়েছেন।আবেদন ও পরীক্ষা ছাড়া কীভাবে নিয়োগ দেওয়া হলো—এ বিষয়ে জানতে চাইলে কর্মকর্তা শাওন বলেন, “এটি ইউএনওর দায়িত্ব ছিল। তিনি যেটা ভালো মনে করেছেন, সেটাই করেছেন।”নৌযান শুমারির মতো সরকারি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো আবেদন বা পরীক্ষা না নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা ও তদন্ত দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা।