উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মোসা: হাফসা আক্তার, প্রকাশক ও সসম্পাদক ||
ইতিমধ্যে নতুন পানিতে হাওর অঞ্চলের ডুবো সড়কগুলো ডুবে যাওয়ায় হাওড় অঞ্চলে স্থাপিত সরকারি ছয়টি ফেরিঘাট গত ১৮ই জুন থেকে বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে যাত্রী সাধারণ এবং পর্যটকদেরকে নৌকা অথবা ট্রলারে করে যাতায়াত করতে হচ্ছে এবং পুরোদমে বর্ষা মৌসুম শুরু না হওয়ায় শুধুমাত্র স্থানীয় পর্যটকদের আনাগোনা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় বর্ষার পানি না আসায় পুরোদমে পর্যটন মৌসুম শুরু হতে আরো ১৫-২০ দিন সময় লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং বোরো ধান কাটা ও মাড়াই শেষে হাওর অঞ্চলের কৃষকেরা এখন বিশ্রামে আছেন। নিকলীসহ হাওর অঞ্চল বর্তমানে দূরদূরান্তের পর্যটক শূন্য রয়েছে এবং স্থানীয় পর্যটক ছাড়া দেশের অন্যান্য এলাকার পর্যটকদের চোখে পড়ছে না। মৌসুমী ব্যবসায়ীরা জানান যে এবছর পরিপূর্ণ বর্ষা না হলে আমাদের বর্ষাকালে ব্যবসা-বাণিজ্য খুবই মন্দা যাবে কারণ নৌকা ট্রলার ইতিমধ্যেই মেরামত করে প্রস্তুত করে রেখেছি কিন্তু পানির অভাবে এগুলো পুরো দমে চালাতে পারছি না। হাওর বাওর নদনদী বিধৌত প্রাকৃতিক লীলাভূমি কিশোরগঞ্জের ১৩টি উপজেলার মধ্যে বাংলাদেশ সরকার এই জেলার চারটি উপজেলাকে হাওর উপজেলা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং নিকলীকে সরকার পক্ষ থেকে পর্যটন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। কিশোরগঞ্জের হাওড় উপজেলা গুলো হল নিকলী, ইটনা, মিটামইন ও অষ্টগ্রাম। নিকলী হাওর ভ্রমণের উপযুক্ত সময় হিসেবে জুলাই মাস থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত সময়কে ধরা হয় কারণ অক্টোবর মাসের শেষের দিকে বর্ষার পানি কমতে শুরু করে। ঢাকা থেকে ট্রেনে বা বাসে যাতায়াত করা যায় এবং ট্রেনে আসতে চাইলে আন্তঃনগর এগারো সিন্ধুর প্রভাতী ট্রেনে মানিকখালী অথবা গচিহাটা ষ্টেশনে নেমে ইজিবাইক, অটো রিক্সা বা সিএনজি দিয়ে নিকলী উপজেলা সদরে যাওয়া যায়।