উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মোসা: হাফসা আক্তার, প্রকাশক ও সসম্পাদক ||
জাপানের নাগোয়া থেকে কামরুজ্জামান হিরু জানিয়েছেন, পার্কের ভেতরে পুরনো ও আধুনিক ট্রেনের পাশাপাশি দর্শনার্থীদের জন্য রাখা হয়েছে সর্বাধুনিক ট্রেন চালনা নির্দেশক যন্ত্র বা সিমুলেটর। আয়োজকদের সহযোগিতায় চালকের আসনে বসে কাল্পনিক পথ ও দারুণ গতিতে ট্রেন চালানোর রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। এর পাশাপাশি সুবিশাল মডেল প্রদর্শনী বা ডায়োরামার মাধ্যমে পুরো টোকাইডো শিঙ্কানসেন লাইন ও জাপানের দৈনন্দিন রেল চলাচলের খুদে রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। প্রযুক্তি প্রদর্শনী ছাড়াও দর্শনার্থীদের জন্য রাখা হয়েছে জাপানি খাবার ও সংস্কৃতির সান্নিধ্য লাভের সুযোগ। বিশেষ লাঞ্চ বক্স প্লুস্টা বেনতো ও স্থানীয় কফির স্বাদ নেওয়ার পাশাপাশি জাদুঘরের নিজস্ব দোকান থেকে কেনা যাচ্ছে ট্রেনের ছোট খেলনা মডেল ও স্মারক। নাগোয়ার মিনাতো-কু এলাকায় অবস্থিত এই কেন্দ্রটি অতীতের বাষ্পীয় ইঞ্জিন থেকে শুরু করে শূন্যে ভেসে থাকা চুম্বকীয় ম্যাগলেভ ট্রেনের দুর্দান্ত সেতুবন্ধন। গতি, নিখুঁত সময়ানুবর্তিতা আর সর্বাধুনিক প্রযুক্তির অনন্য মেলবন্ধনে জাপান বিশ্বের বুকে এক নতুন বিস্ময় হিসেবে পরিচিত। এশিয়ান গেমসের ব্যস্ততার মাঝে আয়োজকদের পরিচালিত এই বিশেষ সফরটি জাপানের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষকে কাছ থেকে জানার এক অবিস্মরণীয় মাধ্যম হয়ে থাকল। রেল প্রযুক্তির জন্মকাহিনি, বিবর্তন এবং ভবিষ্যতের চমকপ্রদ অগ্রযাত্রাকে এই পার্কে চোখের সামনে জীবন্ত করে তোলা হয়েছে।