উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
লুতফুর ভাড়ি, নিজস্ব প্রতিনিধ ||
আসন্ন ২২ অক্টোবর জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীর শহীদ জিয়া গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার (তারিখ নিশ্চিত করে যুক্ত করতে হবে) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ঢাকা মেট্রো-২ সার্কেলের উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে বিআরটিএ সদর কার্যালয়ের নির্দেশনায় গৃহীত মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ আয়োজন করা হয়। এবারের প্রতিপাদ্য— “নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”।শিক্ষার্থীদের মধ্যে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, ট্রাফিক আইন মেনে চলার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী অংশ নেয়।আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন ঢাকা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুনা আক্তার, বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-২ সার্কেলের উপপরিচালক আইনুল হুদা, সহকারী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম, মোটরযান পরিদর্শক মোহাম্মদ রানা, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মনীর আহম্মদ এবং জাতীয় সড়ক নিরাপদ আন্দোলনের প্রতিনিধি মোহাম্মদ মাকফি। এ সময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা, পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।বক্তারা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ট্রাফিক আইন মেনে চলা, ব্যক্তিগত সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দায়িত্বশীল আচরণের বিকল্প নেই। নিরাপদে রাস্তা পারাপার, ফুটপাত ও জেব্রা ক্রসিং ব্যবহার, ট্রাফিক সিগন্যাল ও সড়কচিহ্ন মেনে চলা এবং গণপরিবহনে যাত্রীদের করণীয় সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।তারা আরও বলেন, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা শুধু প্রশাসন বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দায়িত্ব নয়; এ ক্ষেত্রে চালক, যাত্রী ও পথচারীসহ সবার সম্মিলিত ভূমিকা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ তৈরি করা গেলে ভবিষ্যতে সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়ে আনা সম্ভব।অনুষ্ঠানের শেষাংশে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক লিফলেট, প্রসপেক্টাস ও ট্রাফিক সাইনসংক্রান্ত সচেতনতামূলক উপকরণ বিতরণ করা হয়। পরে অংশগ্রহণকারীদের নাশতা পরিবেশন করা হয়।আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ট্রাফিক আইন মেনে চলার প্রবণতা ও সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক দায়িত্ববোধ বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।