উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মোসা: হাফসা আক্তার, প্রকাশক ও সসম্পাদক ||
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন জাপান সফরকে কেন্দ্র করে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। আগামী ২৬শে অক্টোবর চারদিনের সরকারি সফরে তার টোকিও পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এই সফরকে সফল ও স্মরণীয় করে তুলতে বাংলাদেশ দূতাবাস, জাপান বিএনপি এবং প্রবাসী ব্যবসায়ী সমাজ নিজ নিজ অবস্থান থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে সামনে রেখে টোকিওতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন। কূটনৈতিক প্রস্তুতির পাশাপাশি জাপান বিএনপি’র নেতাকর্মীদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক ও সমন্বয় কার্যক্রম চলছে। দলীয় বিভক্তি সত্ত্বেও বিএনপি’র বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে দলীয় প্রধানের সফর সফল করতে কাজ করে যাচ্ছেন। বসে নেই প্রবাসী ব্যবসায়ী সমাজও এবং সফরকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপানপ্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের একটি গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ সভায় প্রবাসী ব্যবসায়ীদের সমস্যা, সম্ভাবনা, অগ্রাধিকার, নীতিগত প্রস্তাবনা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় তুলে ধরার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। গত ৯ই অক্টোবর শুক্রবার জাপানপ্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে একটি প্রস্তুতিমূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মদিবস হওয়া সত্ত্বেও বিভিন্ন মত ও অবস্থানে বিএনপি নেতাকর্মীরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে সভায় অংশ নেন। শতাধিক নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে আয়োজিত ওই সভায় প্রবাসীদের বিভিন্ন দাবি ও প্রত্যাশা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সভায় জাপানপ্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে একটি স্মারকলিপি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান জাপান বিএনপি সভাপতি মীর রেজাউল করীম রেজা। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে তারেক রহমানের এই সফর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এবং সফরকালে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়াও জাপানের সম্রাট নারুহিতোর সঙ্গে তার সাক্ষাতের কর্মসূচি নির্ধারিত রয়েছে বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার, অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি রপ্তানির বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে। ইতিমধ্যে স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি বা ইপিএ বাস্তবায়নের বিষয়টিও আলোচনায় প্রাধান্য পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের জোরালো প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মধ্যদিয়ে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। সেইসঙ্গে জাপানে বসবাসরত বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও সাধারণ প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে বলে তারা মনে করছেন।