উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মোসা: হাফসা আক্তার, প্রকাশক ও সসম্পাদক ||
অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহারের ফলে শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। একটানা স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার ফলে শিশুদের চোখের মণি ও রেটিনার ক্ষতি হচ্ছে এবং অল্প বয়সেই মায়োপিয়া বা ক্ষীণদৃষ্টি রোগ দেখা দিচ্ছে। মাঠে গিয়ে খেলাধুলা না করে অলস বসে ফোন টেপার কারণে শিশুদের ওজন দ্রুত বাড়ছে, যা পরবর্তীতে টাইপ-২ ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি তৈরি করে। ঘুমানোর আগে মোবাইল স্ক্রিনের নীল আলো মেলাটোনিন হরমোন তৈরিতে বাধা দেওয়ায় তাদের গভীর ঘুম ব্যাহত হয় এবং তারা সারাদিন ক্লান্ত থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের শহরাঞ্চলের শিশুরা গড়ে দৈনিক ৩ থেকে ৫ ঘণ্টা পর্যন্ত মোবাইল স্ক্রিনে কাটাচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক সীমার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি। অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের ফলে ফোন কেড়ে নিলে শিশুরা চরম আগ্রাসী ও খিটখিটে আচরণ করে। শর্ট ভিডিও বা দ্রুতগতির গেমসের কারণে তাদের পড়াশোনায় মনোযোগের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে এবং কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে বিষণ্ণতা ও আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে। এছাড়া দুই বছরের কম বয়সী শিশুরা অতিরিক্ত স্ক্রিন দেখলে তাদের কথা বলা শিখতে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক দেরি হয় এবং তারা বাস্তব জগত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।