উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ||
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শাড়ির আড়ালে লুকিয়ে আনা ৪ কেজি ২৮০ গ্রাম কুশসহ অভিজিৎ দাস (৪০) নামে এক ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে বিমানবন্দরের নিচতলায় আগমনী হলের গ্রিন চ্যানেলে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাসিন্দা।ডিএনসির ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ের বিমানবন্দর সার্কেলের সহকারী পরিচালক ড. মো. আবু সাঈদ মিয়ার নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে।ডিএনসির প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ব্যাংকক থেকে থাই এয়ারওয়েজের টিজি-৩২১ ফ্লাইটে আসা ওই যাত্রীকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়। পরে সাক্ষী ও বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে তাঁর ট্রাভেল ট্রলি তল্লাশি করে কাপড়ের নিচে কৌশলে লুকানো ৪ কেজি ২৮০ গ্রাম কুশ উদ্ধার করা হয়।এ সময় তাঁর কাছ থেকে একটি ভারতীয় পাসপোর্ট, ২ হাজার ১৬০ ভারতীয় রুপি, ৭০ থাই বাথ, একটি স্মার্টফোন, একটি বোর্ডিং কার্ড এবং তিনটি ভারতীয় শাড়ি জব্দ করা হয়।চোরাচালান চক্রের তথ্যপ্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তি নিজেকে ভারতের বনগাঁও রেলওয়ে স্টেশনের একজন কুলি বলে পরিচয় দিয়েছেন বলে জানিয়েছে ডিএনসি।সংস্থাটির দাবি, একটি আন্তর্জাতিক ও ত্রিদেশীয় মাদক চোরাচালান চক্র ভারত থেকে স্বল্প আয়ের মানুষদের ব্যবহার করে ব্যাংককে নিয়ে যায়। পরে ভারতীয় শাড়িসহ বিভিন্ন পণ্যের আড়ালে বাংলাদেশে মাদক পাচার করা হয় বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য পাওয়া গেছে।ডিএনসির ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে দুই থেকে তিন দিন অবস্থান করে মাদকের একটি অংশ হস্তান্তরের পর বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে ফেরার পরিকল্পনা ছিল গ্রেপ্তার ব্যক্তির। চক্রটি বাংলাদেশে কুশের নতুন বাজার তৈরির চেষ্টা করছে বলেও দাবি করেছে সংস্থাটি। এসব তথ্যের স্বাধীন যাচাইয়ের বিষয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।মামলা ও আইনি ব্যবস্থাএ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (সংশোধিত ২০২৬)-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় বিমানবন্দর থানায় মামলা করা হয়েছে। মামলার বাদী ডিএনসির ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ের বিমানবন্দর সার্কেলের পরিদর্শক শাহরিয়া শারমিন।গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে সংশ্লিষ্ট আদালতে সোপর্দ করার আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএনসি।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।