উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মোসা: হাফসা আক্তার, প্রকাশক ও সসম্পাদক ||
প্রজনন রক্ষা করতে প্রতিবছর অক্টোবর মাসে দেশের সব নদ-নদীতে মাছ শিকারে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। এ বছর এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে গত ৮ অক্টোবর থেকে এবং আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে আইন অমান্য করে বরিশালের হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার সন্নিহিত মেঘনা ও এর শাখা নদীগুলোতে চলছে ইলিশ শিকার। এলাকার প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় ট্রলারপ্রতি দুই হাজার টাকা নিয়ে মাছ শিকারিরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে। মেঘনা পাড়ের ছয়টি পয়েন্টে বসেছে ইলিশ বিক্রির নিলাম হাট এবং প্রতি রাতে সেখানে কয়েক কোটি টাকার মাছ বিক্রি হচ্ছে। এই অবৈধ বাণিজ্যের একটি অংশ চলে যাচ্ছে প্রভাবশালী মহলের হাতে। নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছে মৎস্য বিভাগ, কোস্ট গার্ড, পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন। তবে অভিযান চালাতে গিয়ে এবারও মৎস্য বিভাগের এক কর্মী হামলার শিকার হয়েছেন। বরিশাল জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অভিযানকালে জনবল কম থাকলে জেলেরা আক্রমণের সুযোগ পেয়ে থাকে। ইলিশ রক্ষায় সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হলেও কার্যকর নজরদারির অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জাতীয় সম্পদ ইলিশের প্রজনন রক্ষা করতে হলে যে কোনো মূল্যে এই অবৈধ শিকার বন্ধ করা জরুরি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত এই বিষয়ে আরও কঠোর ও বিকল্প পদক্ষেপ গ্রহণ করা।