উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মোসা: হাফসা আক্তার, প্রকাশক ও সসম্পাদক ||
সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য জানায়নি দেশটির কর্তৃপক্ষ। গত ১৪ অক্টোবর নজরুল ইসলাম আব্দুল বশির ও সুইটি আক্তার নামে দুই প্রবাসীর দণ্ড কার্যকর করার চার দিন পর প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়েছে জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেট। চিঠিতে বলা হয়েছে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর পাওয়া বন্দি তালিকায় এই দুই জনের সাজার কোনো তথ্য উল্লেখ ছিল না। ২০২৩ সালের আগস্টে তাদের আটক করা হয়েছিল। নজরুলকে সাইবার অপরাধ আইন এবং সুইটিকে ব্যভিচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা দুজনই ‘আল মাজাল কোম্পানিতে’ পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। কনস্যুলেট জানিয়েছে, সৌদি আরবে সাইবার আইন ও ব্যভিচারের অপরাধে আগে কোনো বাংলাদেশিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার নজির নেই। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ জেদ্দায় সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে দফায় দফায় কূটনৈতিক পত্র পাঠিয়ে বিষয়টি জানতে চেয়েছে। গত সোমবারও এ বিষয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমানে সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলের কারাগারে বিভিন্ন চারিত্রিক মামলায় ৩০৬ জন বাংলাদেশি আটক রয়েছেন। এদের মধ্যে ১৪৭ জন বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত। তবে আদালতের বিচার প্রক্রিয়ায় মিশনের পক্ষ থেকে সরাসরি অনুবাদক বা আইনি সহায়তার সুযোগ সীমিত থাকায় অনেক ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ওই দুই ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকেও আগে আইনি সহায়তার জন্য কোনো আবেদন করা হয়নি। গত ১৪ অক্টোবর সৌদি প্রেস এজেন্সির মাধ্যমে খবরটি জানাজানি হওয়ার পর বাংলাদেশ কনস্যুলেট বিস্তারিত তথ্যের জন্য তৎপরতা শুরু করে।