উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মোসা: হাফসা আক্তার, প্রকাশক ও সসম্পাদক ||
অর্থপাচার ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন প্রতিরোধে দেশের বীমা কোম্পানিগুলোকে নতুন কিছু নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বা বিএফআইইউ। গত সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক এই নির্দেশনা জারি করেছে। নতুন নির্দেশনায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে কেন্দ্রীয় কমপ্লায়েন্স ইউনিট গঠন, গ্রাহকের পরিচয় যাচাই এবং প্রয়োজনীয় নথি সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড এবং বিদ্যমান আইন বিবেচনা করে প্রতিটি বীমা কোম্পানিকে অর্থপাচার প্রতিরোধে নিজস্ব নীতিমালা তৈরি করতে হবে। প্রতিটি বীমা প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ে একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় কমপ্লায়েন্স ইউনিট গঠন করতে হবে। এই ইউনিটের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রধান মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ পরিপালন কর্মকর্তা বা ক্যামেলকো। প্রধান নির্বাহীর পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশনাসহ প্রতিবেদনটি পরিচালনা পর্ষদ বা সর্বোচ্চ ব্যবস্থাপনা কমিটির কাছে উপস্থাপন করতে হবে। প্রতি বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে বিএফআইইউর কাছে এর একটি অনুলিপি পাঠাতে হবে। বেনামি বা ছদ্মনামের অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নিশ্চিত করার জন্য কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করেছে বিএফআইইউ। দেশের সব বিমা প্রতিষ্ঠানকে এই নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে পরিপালন করতে বলা হয়েছে। বাসসের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।