উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মোসা: হাফসা আক্তার, প্রকাশক ও সসম্পাদক ||
ঢাকঢোল, শঙ্খধ্বনি আর উলুধ্বনির আবহে অশ্রুসজল নয়নে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানিয়েছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। বুধবার ২১ অক্টোবর বিকেল ৩টা থেকে চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে শুরু হয় প্রতিমা বিসর্জনের মূল আনুষ্ঠানিকতা। এ ছাড়া নগরের অভয়মিত্র ঘাট, কালুরঘাট ও উত্তর কাট্টলীর রানী রাসমণি ঘাটেও প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। বিকেল গড়াতেই নগরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ থেকে আলোকসজ্জিত ট্রাকে করে প্রতিমা নিয়ে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে পৌঁছাতে শুরু করেন ভক্তরা। দেবীকে বিদায় জানানোর আগে প্রতিমায় তেল, সিঁদুর এবং পান-মিষ্টি নিবেদন করেন ভক্তরা। আনন্দের উৎসব শেষে দেবীকে বিদায় জানাতে গিয়ে অনেক ভক্তের চোখে ছিল অশ্রু। এ বছর চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতকে প্রতিমা বিসর্জনের প্রধান স্থান হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছিল। বিসর্জনকে কেন্দ্র করে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত ও আশপাশের সংযোগ সড়কে নিরাপত্তা-ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. পারভেজ আলী বলেন, ভক্তরা যাতে শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে প্রতিমা বিসর্জন দিতে পারেন, সে জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পতেঙ্গায় প্রতিমা নিরঞ্জন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন সবার সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান। চট্টগ্রাম নগরে এ বছর মোট ২৮০টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়। গত ১৬ অক্টোবর ষষ্ঠীপূজার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া শারদীয় দুর্গোৎসবের শেষ দিন ছিল বুধবার বিজয়া দশমী। আগামী বছর আবারও দেবীর আগমনের প্রত্যাশায় শেষ হয় এবারের দুর্গোৎসব।