উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মোসা: হাফসা আক্তার, প্রকাশক ও সসম্পাদক ||
উপকূলীয় সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক অর্থায়ন বাড়লেও প্রয়োজনের তুলনায় তা এখনো যথেষ্ট নয়। এডিবির প্রতিবেদন অনুসারে, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উপকূলীয় অর্থনীতিগুলোতে আন্তর্জাতিক অভিযোজন অর্থায়ন ২০১৫ সালে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার ছিল। ২০২২ ও ২০২৩ সালে তা বেড়ে বছরে গড়ে ১১.৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। কিন্তু অর্থায়ন প্রায় দ্বিগুণ হলেও বড় ঘাটতি রয়ে গেছে এবং উপকূলীয় স্থিতিস্থাপকতা বাড়ানোর বিনিয়োগের প্রধান ভিত্তি সরকারি অর্থায়ন। বুধবার প্রকাশিত এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের এশিয়া-প্যাসিফিক ক্লাইমেট রিপোর্ট ২০২৬ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং ক্রমবর্ধমান প্রাকৃতিক বিপদের মুখে উপকূলীয় এলাকাগুলো ঝুঁকির মুখে পড়ছে। উপকূলীয় বন্যার ক্ষয়ক্ষতি বর্তমান মাত্রার কাছাকাছি রাখতে বছরে ৯ থেকে ১৯ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন। সেই বিনিয়োগে প্রতিবছর ১৭৮ থেকে ৩৬০ বিলিয়ন ডলারের বন্যার ক্ষতি এড়ানো সম্ভব। অন্যথায় ২০৫০ সালের মধ্যে বার্ষিক ক্ষতি ১৯৯ বিলিয়ন এবং ২১০০ সালের মধ্যে ৭৩৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। এডিবির উপকূলবর্তী উন্নয়নশীল সদস্য দেশগুলোতে ৪০ কোটিরও বেশি মানুষ সমুদ্র থেকে ১০ কিলোমিটারের মধ্যে বসবাস করেন। ব্যাংকক, জাকার্তা, কলকাতা ও মুম্বাইয়ের মতো শহরগুলোতে যে ধরনের উপকূলীয় বন্যা ঐতিহাসিকভাবে এক শ বছরে একবার ঘটত, তা এই শতাব্দীর শেষ নাগাদ প্রতিবছর ঘটতে পারে বলে সতর্ক করেছে এডিবি। এডিবির জলবায়ু পরিবর্তন ও টেকসই উন্নয়ন বিভাগের মহাপরিচালক ইয়েভজেনি ঝুকভ বলেন, মানুষকে নিরাপদ রাখা এবং অর্থনীতিকে সচল রাখার জন্য দীর্ঘমেয়াদি, অভিযোজনযোগ্য ও ঝুঁকি-সচেতন সমাধান নিয়ে এখনই পদক্ষেপ করা প্রয়োজন।