উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মোসা: হাফসা আক্তার, প্রকাশক ও সসম্পাদক ||
দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়লেও বর্তমানে বিতরণ ও চাহিদার ক্ষেত্রে এক নতুন সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। অনিয়ন্ত্রিত ৫০ থেকে ৬০ লাখ ব্যাটারিচালিত রিকশা এবং বাসাবাড়িতে বৈদ্যুতিক চুলার অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বর্তমানে মধ্যরাতে বিদ্যুতের চাহিদা শীর্ষে পৌঁছাচ্ছে, যার প্রধান কারণ রিকশা চার্জ দেওয়া। এতে ২ থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াট অতিরিক্ত বিদ্যুতের প্রয়োজন হওয়ায় সরকার উচ্চমূল্যের জ্বালানি তেলচালিত কেন্দ্র চালু রাখতে বাধ্য হচ্ছে, যা রাষ্ট্রের ওপর বিপুল আর্থিক বোঝা তৈরি করছে। বাসাবাড়িতে গ্যাস সংকট ও এলপিজির উচ্চমূল্যের কারণে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লাখ পরিবার বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহার করছে, যা দিনের বেলায় ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের নতুন চাপ সৃষ্টি করেছে। পিডিবির মতে, বর্তমানে বিদ্যুৎ খাতে 'পিক' ও 'অফ-পিক' সময়ের ব্যবধান কার্যত বিলুপ্ত হয়ে গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রিকশায় পুরোনো লিড-অ্যাসিড ব্যাটারির পরিবর্তে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ খরচ অনেকাংশে কমানো সম্ভব। স্মার্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে এই রূপান্তর সফল হলে বছরে প্রায় ৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হতে পারে। এই সংকট কাটাতে সরকারকে রিকশা নিবন্ধন ও ব্যাটারি পরিবর্তনে সহজ শর্তে ঋণসহ প্রণোদনা দিতে হবে। একইসঙ্গে গ্যারেজে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপন এবং বাসাবাড়ির গ্যাস সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।