উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মোসা: হাফসা আক্তার, প্রকাশক ও সসম্পাদক ||
পানি মানুষের জীবনধারণের অন্যতম মৌলিক উপাদান হলেও বর্তমানে তা প্রাণঘাতী জীবাণুর আধার হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এবং ইউনিসেফের মিকস ২০২৫ এবং ওয়ারপোর মূল্যায়নে দেশের পানি সংকটের উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী দেশের প্রায় ৮৫ শতাংশ বাসাবাড়ির ব্যবহারযোগ্য পানিতে মলের জীবাণু ই. কোলাই ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি মিলেছে। পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলের ১৫৩টি ইউনিয়ন এবং চট্টগ্রামের পটিয়ায় ভূগর্ভস্থ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে ই. কোলাই সংক্রমণের ফলে ডায়রিয়া জ্বর রক্তশূন্যতা থেকে শুরু করে কিডনি বিকল হওয়ার মতো গুরুতর স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা দেয়। এর সবচেয়ে বড় শিকারে পরিণত হচ্ছে শিশু ও বয়স্করা। কৃষিতে অতিরিক্ত ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উত্তরাঞ্চলে পানির স্তর নিচে নেমে গেছে। অন্যদিকে চট্টগ্রামের পটিয়ায় শিল্পকারখানাগুলোতে গভীর নলকূপের মাধ্যমে যথেচ্ছ পানি উত্তোলনের কারণে পানির স্তর ভয়াবহভাবে নিচে নামছে। কেবল নতুন নলকূপ বসিয়ে এ সংকটের সমাধান সম্ভব নয় বরং কোথায় কী পরিমাণ ভূগর্ভস্থ পানি তোলা যাবে তার বৈজ্ঞানিক নীতিমালা করতে হবে। কৃষিতে ভূগর্ভস্থ পানির নির্ভরতা কমিয়ে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ এবং ভূপৃষ্ঠের পানি ব্যবহারের আধুনিক পদ্ধতি চালু করতে হবে।