Loading stocks...

খেলাধুলা

বিশ্বকাপ জয়ের পর গোলপোস্টের জাল কাটেন ইয়ামালরা

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টينাকে ১-০ গোলে হারিয়ে ১৬ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়েছে স্পেন। শিরোপা নিশ্চিত হওয়ার পর নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে স্পেনের খেলোয়াড়দের গোলপোস্টের জাল কেটে নিজেদের কাছে রেখে দিতে দেখা যায়। দলের পোস্টারবয় লামিনে ইয়ামালের পাশাপাশি তার ছোট ভাই কেইণে ইয়ামালকেও এই আনন্দে অংশ নিতে দেখা গেছে। বড় কোনো আন্তর্জাতিক বা ক্লাব প্রতিযোগিতায় শিরোপা জয়ের পর গোলপোস্টের জাল কেটে সংগ্রহে রাখার রীতি এখন বেশ পরিচিত। খেলোয়াড়দের কাছে এটি শুধু একটি জালের টুকরো নয়, বরং তাদের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে স্মরণীয় অর্জনের প্রতীক। যে গোলপোস্টের সামনে দাঁড়িয়ে তারা চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন, সেই জালের অংশ নিজের কাছে রেখে ঐতিহাসিক মুহূর্তকে ব্যক্তিগত স্মারক হিসেবে সংরক্ষণ করেন তারা। এই ঐতিহ্যের শেকড় মূলত যুক্তরাষ্ট্রের কলেজ বাস্কেটবলে থাকলেও বিশ্ব ফুটবলে একে জনপ্রিয় করে তুলেছেন স্পেনের সাবেক তারকা ডিফেন্ডার জেরার্ড পিকে। ২০১০ সালের বিশ্বকাপ, ২০১২ সালের ইউরো এবং বার্সেলোনার হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের পর পিকের জাল কাটার উদযাপন ব্যাপক আলোচনায় আসে। বর্তমানে ক্লাব থেকে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট—বড় ফাইনালে জয়ের পর খেলোয়াড়রা মাঠকর্মীদের সহায়তায় জাল কেটে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেন। ট্রফি ও পদকের পাশাপাশি নিজের হাতে কেটে নেওয়া গোলপোস্টের জালের টুকরোটি খেলোয়াড়দের কাছে অত্যন্ত ব্যক্তিগত একটি স্মৃতি। মাঠের লড়াই, পরিশ্রম, ঘাম, আবেগ ও সাফল্যের প্রতীক হিসেবে এই ছোট্ট জালই হয়ে ওঠে তাদের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান স্মারকগুলোর একটি। অনেকে এই জাল ফ্রেমে বাঁধাই করে রাখেন এবং অনেকের বিশ্বাস এটি সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবেও কাজ করে।

বিশ্বকাপ জয়ের পর গোলপোস্টের জাল কাটেন ইয়ামালরা
🔒