Loading stocks...

বুড়িচংয়ে ভবিষ্যৎ কাউন্সিলর কে? ভোটের হাওয়া বুড়িচং পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড

বুড়িচং পৌরসভার উওরের শেষ প্রান্তের ওয়ার্ড হচ্ছে পূর্ণমতি ৪নং। বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সেতুবন্ধন স্থানের কুমিল্লার সর্ববৃহৎ ঐতিহাসিক দড়িয়ারপাড় ঈদগাঁটি ও এই ওয়ার্ডে অবস্থিত।এই ঐতিহ্যবাহী পূর্ণমতি গ্রামের ৩জন কৃতি সন্তান বুড়িচং সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমান নবগঠিত বুড়িচং পৌরসভার আসন্ন নির্বাচনে ও এই ওয়ার্ডে কৃতি সন্তান সাবেক ২ বারের সফল চেয়ারম্যান জাবেদ কাউসার সবুজ মেয়র পদপ্রার্থী। ঐতিহ্যবাহী এলাকা হিসেবে বুড়িচং সদরে এই ওয়ার্ড বেশ সুপরিচিত। আর ৪নং নম্বর ওয়ার্ডটি এখন সবার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এখানে রয়েছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রয়েছে ঐতিহ্যবাহী পূর্ণমতি মনসুর আহমেদ উচ্চ বিদ্যালয়, রয়েছে একটি বেসরকারি হাসপাতাল, এবং একটি স্বনামধন্য মাদ্রাসা।এমনকি একটি গার্মেন্টস রয়েছে যেখানে অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে।এই ৪নং ওয়ার্ডের আগামী দিনের যিনি কাউন্সিলর হবেন তাকে হতে হবে একেবারে চৌকস, এলাকাবাসীর প্রত্যাশা সে রকমই। এই প্রত্যাশা পূরণে এর মধ্যে প্রথমেই যে নামটি আসছে তিনি হলেন মো এনামুল হক ।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে বুকে ধারণ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনীতি করে আসছেন তিনি। ছাত্র জীবনে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন বুড়িচং সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে, পরবর্তীতে সভাপতি হিসেবে ও দায়িত্ব পালন করেছেন। সাহেবাবাদ ডিগ্রি কলেজ ছাত্র সংসদ সাবেক সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যোগদান করেন। দায়িত্ব পালন করেছেন রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইয়ের চৌকস কর্মকতা হিসেবে।ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত থাকার কারণে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের রোষানলে পরে অনেক হয়রানি শিকার হয়েছেন। পরবর্তীতে তিনি স্বেচ্ছায় চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন।পরবর্তীতে তিনি আবার রাজনীতিতে সক্রিয় হন। ২০২৪ সালের ৫ ই আগষ্টের পর তৃণমূল বিএনপির নেতাকর্মীদের নিয়ে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের জন্য মাঠে কাজ করেন। এলাকার প্রতিটি ঘরে ঘরে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ৩১ দফার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পৌঁছে দিয়েছেন।তার এই কার্যক্রম বুড়িচং উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের কাছে বেশ প্রশংসনীয় হয়েছে। পরবর্তীতে বুড়িচং উপজেলা বিএনপির কমিটিতে তিনি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদকের পদ লাভ করেন। এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা -৫ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী হাজী জসিম উদ্দিন কে বিজয়ী করার লক্ষ্যে নেতা কর্মীদের নিয়ে উঠান বৈঠক, এবং এই এলাকার ভোটারদের কে কেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়ে দিনরাত পরিশ্রম করেছেন, নির্বাচনের দিন তিনি কেন্দ্র ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।এবং হাজী জসিম উদ্দিনকে বিজয়ী করতে অবদান রাখেন।মো এনামুল হক এলাকার বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসায় ভালো ফলাফলকারী মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের পুরস্কার প্রদান, অসহায় গরিব শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ, এলাকার যুব সমাজকে খেলাধুলামুখী করা, এলাকা কে মাদকমুক্ত করা এবং এমনকি বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসায় সহযোগীতা করে আসছেন।নিজ অর্থায়নে এলাকা কে আলোকিত করার লক্ষ্যে পূর্ণমতি ৪নং ওয়ার্ডের কয়েকটি পাড়া মহল্লায় ২০টি সোলার লাইট প্রতিস্থাপন করেছেন।বিশেষ করে ২০২৪ সালের শেষের দিকে পূর্ণমতি ৪নং ওয়ার্ডের যুব সমাজ, সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এলাকাকে মাদকমুক্ত করার জন্য সভা সমাবেশ, মানববন্ধন, র‍্যালি, ও অভিযান পরিচালনা করার কারণে এলাকাবাসী ও সর্ব মহলে এই উদ্যোগ বেশ প্রশংসনীয় হয়েছিলো। মহল্লাবাসীর সুখে-দুঃখে সবসময় তিনি পাশে দাঁড়াচ্ছেন। এই সহমর্মিতা শুধু রাজনীতির জন্য নয়, সমাজসেবা থেকে তার এই ধারা অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন মহল্লায় সরু রাস্তা প্রশস্ত করার ব্যাপারে তার অনেক ইচ্ছা রয়েছে। এমনকি, বিভিন্ন মহল্লায় বিভিন্ন ধরনের অপরাধ নির্মূল করার ব্যাপারে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।মো এনামুল হক বলেন আগামীতে জনগণের ভোটে তিনি কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে পাড়া -মহল্লা ভিত্তিক বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করবেন। বিশেষ করে পুরো এলাকা কে সিসিটিভির আওতায় আনা এবং নাগরিক সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করার আপ্রাণ চেষ্টা চালাবেন তিনি। নাগরিক সুবিধার ক্ষেত্রে পয়ঃনিষ্কাশন, বর্ষায় জলাবদ্ধতা দূর করা, মশা নিধনের ব্যবস্থা করা, সমাজ থেকে চাঁদাবাজি, ইভটিজিং, নারী নির্যাতন বন্ধ করা, মাদককে এই এলাকা থেকে চিরদিনের মতো বিদায় করতে চান।এ ছাড়াও যৌতুক গ্রহণ সমূলে বিনাশ করা আর যুবসমাজের জন্য খেলাধুলার মাঠের ব্যবস্থা করা, স্পোর্টস ক্লাব প্রতিষ্ঠা করা ও পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করা।স্বাস্থ্যক্ষেত্রে ৪নং ওয়ার্ডের প্রতিটি নাগরিকের পাশাপাশি নারীদের জন্য বিশেষ সেবা চালু করা। তবে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার থাকবে সর্বস্তরের মানুষকে নিয়ে এলাকা থেকে সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজি বন্ধ করা। তিনি এই ওয়ার্ডকে একটি শান্তির ওয়ার্ড প্রতিষ্ঠা করতে চান। যেন এই ওয়ার্ডের মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারে। মোটকথা, একটি মডেল ওয়ার্ড উপহার দেওয়ার জন্য কাজ করে যাবেন তিনি।বুড়িচং উপজেলা বিএনপির ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে তিনি একজন ব্যতিক্রম কাজের মাধ্যমে এলাকাবাসীর পাশে সবসময় থাকতে চান।এই ওয়ার্ডের বাসিন্দা উপজেলা বিএনপির নির্বাহী সদস্য নুরুল আমিন ও একজন আগামী দিনের প্রার্থী বলে গুঞ্জন রয়েছে।তবে তিনি এখনও প্রচারে নামেননি। এছাড়া প্রার্থী হিসেবে অনেকের নাম শোনা যাচ্ছে।অনেকে ফেস্টুন ব্যানারে প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। এই ওয়ার্ডে জামায়াতে ইসলাম ঘোষিত কাউন্সিলর প্রার্থী মো শরীফুল ইসলাম। তিনি ও ওয়ার্ডে বিভিন্ন ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন।তবে এই ওয়ার্ডের পাড়া মহল্লায় তার প্রচার-প্রচারণার ফেস্টুন - পোস্টার চোখে পড়ে নাই।

বুড়িচংয়ে ভবিষ্যৎ কাউন্সিলর কে? ভোটের হাওয়া বুড়িচং পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড
🔒